bokashoka

Archive for মে, 2008

ছোট্টদের গল্পঃ টিভি দেখ না।

In গল্প on মে 9, 2008 at 1:43 pm


এক ঘর পরেই ড্রয়িং রুম। ড্রয়িং রুমে কালো রঙের একটা টিভি আছে। উপল ইচ্ছে করলেই সোফার ওপর আধশোয়া হয়ে টিভি দেখতে পারে। হাতে রিমোট নিয়ে ইচ্ছেমত চ্যানেল বদলাতে পারে। দাদু কিচ্ছু বলবে না। কে জানে টিভিতে হয়ত খুব সুন্দর কোন কার্টুন হচ্ছে কিংবা ইএসপিএনে বিগ শো’এর রেসলিং হচ্ছে।

রিকশা এবং তার হুড।

In আমার কবিতা on মে 9, 2008 at 1:39 pm


নিউমার্কেট দুই নম্বর গেট… জনৈক কোন পথচারীর ঘামের গন্ধ নেমে নেমে আসতে চায়।
ঘামের গন্ধ পেছনে ফেলে অবশেষে আমরা রিকশায় উঠে যাই… আহা।
আমি আর জনৈক বালিকা।

ভারোত্তোলন

In অণুগল্প on মে 9, 2008 at 1:36 pm


আহাদ চুরুটে একটা টান দিল। প্রত্যেকবার ভারোত্তোলন করার আগে সে একটা চুরুট ধরায়। অতিরিক্ত টেনশন এবং উত্তেজনাই চুরুট ধরানোর কারণ। মাঝে মধ্যে তার মনে হয়- অলিম্পিকে গেলে সে নির্ঘাৎ দেশের জন্য একটা স্বর্ণ জয় করে নিয়ে আসবে।

তিন টাকা দিয়ে পৃথিবী পাওয়া আমার হবে না… আর কোনদিন।

In আমার কবিতা on মে 9, 2008 at 1:31 pm


এই ছেঁড়া কাঁথার আবরণ থেকে নিজের শরীরটা অন্য কোথাও নিয়ে যেতে আমার কষ্ট হয় খুব।
তবু- মাঝে মধ্যে যখন লোডশেডিং হয়- চাঁদের আলোর সর যখন- পুরাণ ঢাকা’র পুরনো রাস্তাগুলিকে ঢেকে দেয়- ছেঁড়া কাঁথার মতন।

আমি পুরনো একজন মানুষ- বড় হয়ে যাওয়ার যত যন্ত্রণা নিয়ে সেই রাস্তায় নিজেকে নিয়ে যাই।

মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ৭ (প্রায় শেষ পর্ব)

In মেয়ে-কথন on মে 9, 2008 at 1:27 pm


ফার্স্ট ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা স্বভাবিকভাবেই খারাপ হল। ছয় সাবজেক্টের মধ্যে দুই সাবজেক্টে ফেল করলাম আর এক সাবজেক্টে তেত্রিশ পেলাম। বাবা-মা আমাকে বংশের কুলাঙ্গার বলে ঘোষণা দিল আর কম্পিউটার বাসা থেকে বিদায় করা হবে বলে হুমকি দিল। এদিকে পরীক্ষায় খারাপ করা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র অনুভূতি হল না। মেয়েবিহীন জীবনযাপনের দুঃখে আমার সকল প্রকার অনুভূতি চাপা পড়ে গেছে।

ফজলে আলী খান স্যার

In স্মৃতিচারণ on মে 9, 2008 at 1:16 pm


একঃ অপরাধ

ক্লাস এইট। ২০০০ সাল।
আমরা সবাই ক্লাসরুমে উত্তেজনা নিয়ে বসে আছি। উত্তেজনার কারণ এখন ফজলে আলী খান স্যারের কৃষি শিক্ষা ক্লাস। ক্যাডেট কলেজের একটা নিয়ম হচ্ছে- যে স্যারের ক্লাস হবে তাঁর নামের ইংরেজী আদ্যক্ষর ব্ল্যাক বোর্ডের একটা বিশেষ জায়গায় লিখে দিতে হয়। সে হিসেবে ফজলে আলী খান স্যারের নাম যা হওয়ার কথা আমরা

আড়াল

In Uncategorized on মে 9, 2008 at 1:05 pm


ভদ্রলোক বারান্দায় আরাম কেদারাতে বসে খবরের কাগজ পড়ছিলেন। সকাল আটটার মত হবে। মেঘেদের আজ বুঝি ছুটি হয়েছে। কয়েক ফোঁটা রোদ্দুর এসে খবরের কাগজের অক্ষরের সাথে মিশে যাচ্ছে। এমন সময় একটা মেয়ে এসে বারান্দার সামনে দাঁড়াল। হাতে একটা কাগজ। ভদ্রলোক বিরক্ত হলেন। নীচ তলায় বাসা হওয়ায় এই এক সমস্যা। যখন তখন ভিক্ষুক-টিক্ষুক এসে হাত বাড়িয়ে দেয়। ভদ্রলোক বিরক্তি না চেপেই বললেন…

আমার গার্লফ্রেণ্ড এবং একজন ছিনতাইকারী!

In গল্প on মে 9, 2008 at 1:03 pm


১.

সাজিয়া যখন খামে করে আমার হাতে টাকাটা তুলে দিল এবং মুখ বাঁকা করে বলল…
- গুনে দেখেন স্যার! টাকা ঠিক আছে নাকি?
আমি খুব লজ্জা পেলাম। এতদিন সাজিয়ার সাথে আমার কেবল শিক্ষক- ছাত্রীর সম্পর্ক ছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগে সেই সম্পর্কটা অন্যরূপ নিয়েছে। প্রত্যেকবার মাসের শেষে টাকা পেলেই আমি গুনে দেখি কিন্তু এখন তো আর সেটা করা যায় না। বরং আমি লজ্জা পাওয়ার ভান করে বললাম …

জীবনের শেষ নববর্ষে আমি যা যা চাই…

In ব্লগর-ব্লগর on মে 9, 2008 at 1:00 pm


আরেকটা নতুন বছর চলে এল। এবং কিছুদিন পর আরেকটা নতুন বছর চলে যাবে। আমি যেমন আছি তেমনই থেকে যাব। অনেক আশা নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ক্রিকেট খেলা দেখতে বসে… মন খারাপ করে খেলার মাঝখানে টিভিরুম থেকে উঠে চলে আসব। সুতরাং আগামী এক বছরে অনেক কিছু ভালো ঘটে যাবে তেমন কোন আশা আমি করি না। তাই সব স্বপ্ন জমা করে রাখছি জীবনের শেষ নববর্ষটার জন্য। অবশ্য যদি এটাই আমার জীবনের শেষ নববর্ষ না হয়ে থাকে!

নীল

In গল্প on মে 9, 2008 at 12:56 pm


লোকটা আমার দিকে ভাঙাচোরা একটা হাসি নিয়ে তাকাল।
আমি কিছুটা বিরক্ত হলাম। দুপুর একটা থেকে আড়াইটা- এই দুই ঘণ্টা- আমার একার। এই সময় আমি আমার অফিসের পাশে ছোট্ট রুমটায় কাটাই। রুমে একটা ডিভাইন খাটে- আধশোয়া হয়ে টিভির দিকে তাকিয়ে থাকি। সবাই জানে- অতিরিক্ত জরুরী কোন কাজেও এই সময় আমাকে বিরক্ত করা যাবে না।

মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ৬

In মেয়ে-কথন on মে 9, 2008 at 12:52 pm


কলেজ মানে নতুন জীবন।
আমার নতুন জীবন শুরু হলো। নতুন জীবনে সবকিছুই বোধহয় নতুন নতুন লাগে। মেয়েরা যেহেতু সবকিছুর মাঝে কিছু একটা- তাই কলেজে মেয়েদেরও নতুন লাগতে লাগল।
স্কুলে দেখে এসেছি… ছেলে আর মেয়ের মধ্যে কেমন একটা লুকোচুরি ব্যাপার থাকে। আর কলেজে গিয়ে দেখি এর বিপরীত দৃশ্য। ক্যাম্পাসের এখানে ওখানে ছেলে-মেয়ে একসাথে বসে থাকে… ছেলেটা কিছু একটা বলে আর মেয়েটা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খায়। আমার অবশ্য এরকম কিছু হয় না।

বিদায়…আমার siemens cf62

In স্মৃতিচারণ on মে 9, 2008 at 12:49 pm


প্রায় শেষ দৃশ্যঃ

গাজীপুর টু ঢাকা। বলাকা পরিবহণ। আমি অত্যন্ত কৌশলে- আমার মোবাইল সেট টা প্যান্টের পকেট থেকে হালকা করে বের করে রেখেছি। উদ্দেশ্য একটাই। ভীড়ের মাঝে কোন দুষ্টু লোক সেটা হাত করে নিবে। কিন্তু শালার পৃথিবীটাই জানি কেমন কেমন। যা জোর করে দূরে ঠেলে দিতে চাই- সেটা কাছেই থেকে যায়।

ডাংগুলি ছেলে এবং আমসত্ত্ব মেয়ে- ৪

In উপন্যাস on মে 9, 2008 at 12:44 pm


অনেক ছোটবেলায় নৌকায় উঠলে আমার ভয় ভয় লাগত। নৌকাটা কেমন দোলে! মনে হত- এই বুঝি আমাকে নদীতে ছুঁড়ে দেবে। মা’র বুকে মুখ লুকাতাম তখন। মা বাবাকে বলত…
- মনুর বাপ দেখছেন… আমাগো মনু ভয়ে কেমুন লাল হইয়া গ্যাসে!
আমি রাশু’র দিকে তাকালাম। এই কয়দিনে রাশুটা কেমন বড় হয়ে গেছে। কেমন বড় মানুষদের মতন তাকিয়ে আছে! ..>