প্রারম্ভিকাঃ
প্রভাষক নিয়ামত উল্লাহ। বিষয়ঃ ইসলাম শিক্ষা। কিন্তু কেন জানি ক্যাডেটদের সকল প্রকার গোপন অনৈসলামিক কর্মকান্ড তার চোখেই ধরা পড়ে। একদিন মোরশেদ সেকেন্ড প্রেপে গভীর মনযোগের সাথে যায়যায়দিনের শাড়ী সংখ্যা পড়ছিল। আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে ভক্ষণ করছিল। শরীফ উদ্দিন স্যার – বিশিষ্ট গোয়েন্দা তোফাজ্জল হোসেন স্যার ফর্মে এসে ঘুরে গেলেন। কিন্তু মোরশেদ নির্বিকার। শেষ মুহুর্তে হাত গলিয়ে বের হয়ে যাওয়ার বিশেষ দক্ষত …
Archive for মার্চ 15th, 2008
দূর্গা পূজা
In স্মৃতিচারণ on মার্চ 15, 2008 at 4:18 pmআমাদের পাণ্ডুলিপি – ২
In উপন্যাস on মার্চ 15, 2008 at 4:16 pm
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সাদা পোষাক পড়া একজন মানুষ এলেন আমাদের রুমে।
- কেমন আছ সবাই?
আমরা সবাই দাঁড়িয়ে গেলাম। হিমেলই প্রথমে কথা বলল।
- জ্বী স্যার। ভালো।
সাদা পোষাক পড়া মানুষটা হেসে দিল। …
আমাদের পাণ্ডুলিপি-১
In Uncategorized on মার্চ 15, 2008 at 4:12 pm
একঃ
- আমি মহিব। তুমি?
ছেলেটা ভেজা ভেজা চোখে আমার দিকে তাকাল। আমি কিছুটা অবাক হলাম। আরে ভাই, কাঁদার কী আছে? আর সাতদিন পরেই তো আমরা বাসায় যাব। বাবা- মা কে ছাড়া কী সাতটা দিন থাকা যায় না? আমি তো ক্লাস সিক্সেও হোস্টেলে থাকতাম। চিটাগাং রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। আমি ছেলেটার কাঁধে হাত রাখলাম। সাথে সাথে আমারও কান্না কান্না একটা ভাব হল। …
পরীক্ষা না থাকলে পৃথিবীটা অনেক সুন্দর হত!
In ব্লগর-ব্লগর on মার্চ 15, 2008 at 2:31 pm
জীবনে প্রথম পরীক্ষা দিয়েছিলাম- পাঁচ বছর বয়সে। শ্রেণীর নাম ভারী মজার। কোন সংখ্যা দিয়ে পরিচয় পাওয়া শ্রেণী না। প্লে-গ্রুপ। স্কুলের নাম ছিল শিশুকানন কিণ্ডার গার্টেন। আমার এখনো মনে আছে- জীবনের প্রথম পরীক্ষা ছোট্ট আমার মাঝে অন্যরকম আগ্রহের সৃষ্টি করেছিল। পরীক্ষা নিয়ে সেটাই আমার জীবনের প্রথম এবং শেষ আগ্রহ। আমার এখন শুধু একটা জিনিসই মনে হয়- পরীক্ষা না থাকলে এই গোল পৃথিবীটা অনেক বেশি আকর্ষণীয় হত। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ৪
In মেয়ে-কথন on মার্চ 15, 2008 at 2:29 pm
ক্লাস টেনে আমার নতুন বন্ধু হল। সাইকেল।
প্রথম প্রথম আমার সাইকেল ভ্রমন আমাদের আবাসিক এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল। বিকেলে সব ছেলেরা যখন ক্রিকেট খেলে আমি তখন সাইকেলে চড়ে- পুরো আবাসিক এলাকা চক্কর দিই- আর মেয়ে দেখতে থাকি। ছোট- বড়- মাঝারি সব টাইপের মেয়ে আমার দৃষ্টি সীমার মাঝে বিরাজ করতে থাকে।
এলাকার ফাহিম ভাই আমার চেয়ে দশ-ধাপ এগিয়ে। প্রত্যেক বিকেল বেলায় দেখা যায়- …
শুধুই মমতা’র গল্পঃ গর্ভধারিণীর যন্ত্রণা এবং ভালোবাসা
In গল্প on মার্চ 15, 2008 at 2:25 pm
মা, তোমাকে কতবার বললাম কম্পিউটারের ইউজটা শিখে ফেল। নেটে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভাইয়াদের সাথে কথা বলতে পারবে। ইচ্ছা করলে ওয়েবক্যাম দিয়ে ওদের দেখতে পারবে।
আমার কী এখন কম্পিউটার শেখার বয়স আছে? কিন্তু বাবুন সেটা কিছুতেই বুঝবে না। রোজ কম করে হলেও তিনবার আমাকে এই কথা শোনাবে।
বাবুনটা এমন পাগল! বাবুন আমার ছোট ছেলে। কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। …
আমাদের মুমিত
In স্মৃতিচারণ on মার্চ 15, 2008 at 2:21 pm
মুমিতের সঙ্গে মাঝে-মধ্যে আমার কৃত্রিম ঝগড়া হত। কৃত্রিম ঝগড়ার ক্ষেত্রে বিষয় তেমন একটা গুরুত্ব পায় না। তাই আমাদের বিষয় ছিল নওরীন নামের একটা মেয়ে। ক্যাডেট কলেজে- গেমস টাইমে কিংবা ডিনার থেকে একাডেমিক ব্লকে আসার সময় আমরা নওরীনকে নিয়ে আলোচনা করতাম। মুমিত তার বাচ্চা বাচ্চা হাসিটা নিয়ে আমাকে বলত- …
উচিত শিক্ষা……………
In গল্প on মার্চ 15, 2008 at 2:15 pm
[ সত্য ঘটনা অবলম্বনে। কিন্তু বিশেষ কারো নাম এবং চরিত্রের সাথে গল্পের বিশেষ কারো নাম এবং চরিত্র মিলে গেলে- ব্যাপারটা মোটেই কাকতালীয় হবে না এবং লেখক বিন্দুমাত্র দায়ী থাকবেন না]]
কর্মঃ
বর্তমানে আমার নাম ঊর্মি। ”বর্তমানে” বললাম এ কারণে- …
মা!
In আমার কবিতা on মার্চ 15, 2008 at 2:12 pm
আবার আমার ইচ্ছে করে
ছোট্ট হয়ে যেতে-
তোমার মুখে মুখটি ঘষে
ফুলের গন্ধ নিতে …
ওহে বেকুব! দেশীয় ঐতিহ্যানুযায়ী একটা বউয়ের জন্য তোকে আরো ২৯২০ রাত অপেক্ষা করতে হবে
In ব্লগর-ব্লগর on মার্চ 15, 2008 at 2:08 pm
বিয়ে!
কোন বাক্যে শব্দটা আসলে এগারো বারো বছরের কোন ছেলের মুখটা লজ্জায় নিশ্চয়ই লাল হয়ে যাবে। যেহেতু আমার বয়স এখন একুশ এবং যেহেতু এখন আমি অনেক বড় হয়ে গেছি- তাই বিয়ে শব্দটা- আমাকে লজ্জায় কাবু করতে পারে না বরং আমার মনে এবং শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ আলোড়ন সৃষ্টি করে। আমার মুখটা চকচক করে ওঠে। মস্তিষ্ক নানান রকম কল্পনা করতে শুরু করে। …
আদরের দাগ আবার আঁকলাম…
In স্মৃতিচারণ on মার্চ 15, 2008 at 2:04 pm
একঃ
- এখন থেকে আমরা ‘তুমি’ করে বলা প্রাকটিস করব।
তুই খুব সিরিয়াস ভঙ্গিতে কথাটা বলার চেষ্টা করলি। অথচ আমি তোর অদ্ভুত সুন্দর মুখটাতে আদর কিংবা মায়া ছাড়া কিছুই দেখলাম না। তাই হেসে বললাম।
- কেন? হঠাৎ।
- বিয়ের পর যদি জামাই বউকে তুই তুই করে বলে- লোকে কী বলবে বল্ তো? …
হিডেন ক্যামেরা
In গল্প on মার্চ 15, 2008 at 2:00 pm
[[গল্পটিতে হালকা-পাতলা 'ইঙ্গিত' রয়েছে। ''ইঙ্গিত' অপছন্দকারীদের না পড়ার জন্য অনুরোধ করা হল। আর পড়ার পর কারো যদি মেজাজ খারাপ হয় - লেখক দায়ী থাকবেন না। হে হে হে। (মেজাজ খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯.৯৯%)]]
শেষের আগেঃ
- মামা। চারটা ”সোনিয়া চা” দ্যান তো।
চা-ওয়ালা মামা সব দাঁত বের করে দিলেন। ”সোনিয়া চা” শব্দটা হাবিবের আবিষ্কার। এই নামকরণের পেছনে 04 ব্যাচের একটা মেয়ের সশরীর উপস্থিতি রয়েছে।
- দোস্ত। আমি এখন যে প্ল্যানটার কথা বলব সবাই সিরিয়াসলি শুনবি। …
বালক বিশ্ববিদ্যালয়ের ”বালিকা” দিবস।
In ব্লগর-ব্লগর on মার্চ 15, 2008 at 1:56 pm
আইইউটি বাংলাদেশের (খুব সম্ভবত পৃথিবীরও) একমাত্র মেয়েহীন ইউনিভার্সিটি। এটা পুরনো কথা। আমি এবং সচলায়তনে আইইউটি’র যারা আছে তাদের মাধ্যমে এই তথ্য বহুবার প্রচারিত হয়েছে।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হল- আইইউটি ক্যাম্পাসে মেয়ে অথবা মেয়েজাতীয় কোন বস্তু প্রবেশ করতে পারে না। সব নিয়মের কিছু ফাঁক-ফোকড় থাকে। এই ফাঁক-ফোকড় দিয়ে যদি কোন মেয়ে আইইউটি’তে ঢুকে পড়ে- তখন এক নাটকীয় দৃশ্য দেখা যায়। …
‘নুড়ি’ নামের নিষ্পাপ এক শিশু’র সাথে আমি প্রতারণা করেছিলাম…
In স্মৃতিচারণ on মার্চ 15, 2008 at 1:54 pm
[[ আমার একটা ধারণা ছিল - গল্প-কবিতা লেখা কঠিন। কিন্তু নিজের জীবনের সত্যি ঘটনা লিখতে গিয়ে দেখলাম- বাস্তবতাকে শব্দে ধারণ করা অনেক বেশি কষ্টের- অনেক অনেক বেশি যন্ত্রণার]]
বাংলাদেশের প্রায় মানুষই প্রায় ছুটি-ছাটায় কক্সবাজার যেতে পছন্দ করে। আমরাও বাংলাদেশের মানুষ। তাই- সেকেন্ড সেমিস্টার ফাইনাল শেষে- দুই দল হয়ে বীচে ফুটবল খেলা যাবে এমন সংখ্যক- অর্থাৎ বাইশজন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। বোর্ডবাজার থেকে বাসে বিমানবন্দর রেলস্টেশন। রাত সাড়ে এগারোটায় ট্রেন। আমরা যেখানে যাই ‘আনন্দ’ সেখানে যায়। …
প্রতি বিষ্যুদবার রাতে আমাদের মাথা গরম হয়ে যায়-২
In পাগলামি on মার্চ 15, 2008 at 1:48 pm
বৃহস্পতিবার।
রাতটাই জানি কেমন! বৃহস্পতি-র রাত এলেই আমাদের মাথা আর ঠিক থাকে না। এমনই এক বিষ্যুদবার রাতে আমাদের মাথা আবার গরম হল।
রুমে মুভি দেখছিলাম ”American pie-6”। তখনই মাথাটা একটু আধটু গরম হওয়া শুরু করেছে। রাব্বানী গরম মাথায় আগুন ঢালল।
- দোস্ত। আজকে গাছে উঠলে কেমন হয়? ( বুদ্ধিমান পাঠকেরা নিশ্চয়ই গাছে ওঠার মর্মার্থ ধরে ফেলেছেন।) …
প্রবাসীদের জন্য
In সংগৃহীত on মার্চ 15, 2008 at 1:44 pm
ঢাকার আজিজ সুপার মার্কেটে কয়েকটা টি-শার্ট ডিজাইন এবং বিক্রী-র স্টল আছে। নামগুলোও বেশ সুন্দর। ”স্বপ্নবাজ” ”পঙ্ক্তি” ”তারা” কাকতাড়ুয়া”। কয়েকদিন আগে আজিজ সুপার মার্কেটে গিয়েছিলাম ”প্যাপিরাস” থেকে কিছু বই কিনব। বই কেনার পর টি-শার্টের স্টল ঘুরে দেখছি। ”কাকতাড়ুয়া”র একটা টি-শার্টে আমার চোখদুটি আটকে গেল। টি-শার্টের সামনের অংশে একটা কবিতা লেখা। কবি এবং কবিতা এমনিতে আমাকে তেমন একটা টানে না ( সুনীল- শক্তি-তারাপদ বাদে )। কিন্তু এই কবিতাটা আমার মাথা খারাপ করে দিল। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি-৩
In মেয়ে-কথন on মার্চ 15, 2008 at 1:41 pm
ক্লাস এইটে মেয়েদের সম্পর্কে আমার চিন্তাভাবনা অনেক পাল্টে গেল। আগে একটা মেয়েকে মনে হত সুন্দর- শুধুই সুন্দর। একটা সুন্দর মেয়ের মুখটা খুব মিষ্টি মনে হত- কন্ঠ গানের চেয়েও মধুর লাগত। ক্লাসে এইটে ওঠার পর বুঝতে পারলাম- একটা মেয়েকে আরো অনেকভাবে দেখা যায়। স্বাভাবিক ভাবেই- আগে যেখানে শুধু মুখ দেখার চেষ্টা করতাম, সেখানে অবাধ্য চোখদুটো মুখ ছাড়াও আরো অনেক কিছু দেখার চেষ্টা করতে লাগল। –…>
প্রিন্সেস! ঘুমিয়ে পড়েছিস?
In Uncategorized on মার্চ 15, 2008 at 1:17 pm
- আব্বু। স্কুলের টিচাররা আমাকে বকা দিবে?
আমি কোটি কোটি মায়া নিয়ে পাগলটার দিকে তাকালাম। এমনিতে আমার মুখ-খানা কুৎসিত। শুধু সাবা’র দিকে যখন তাকাই- অজস্র মমতা আমার চোখদুটিতে ভর করে। আমার মনে হয়, এই পৃথিবীতে- চোখে এমন মমতা নিয়ে কেউ কারো দিকে তাকায় না। কিংবা তাকাতে পারে না। সাবা আমার মেয়ে। আগামী সপ্তাহ থেকে সে স্কুলে যাবে। এ নিয়ে রাজকন্যা’র চিন্তার শেষ নেই। আমি অফিস থেকে ফেরার পর থেকেই কোলের ওপর বসে আছে। …
সাইকো
In অনুবাদ on মার্চ 15, 2008 at 1:14 pm
আশির গোড়ার দিকের কথা। আমার মত একা মানুষ সারা বাংলাদেশে ছিল না। একটা বাড়ির সিঁড়িঘরে ত্রিশ টাকা ভাড়া দিয়ে থাকতাম। একটা সামান্য কোম্পানিতে টাইপিস্টের কাজ করতাম। তিন বছর আগেই বাবা-মাকে হারিয়েছিলাম। ভাই বোন ছিল না। তেমন একটা বন্ধু বান্ধবও না। যা বেতন পেতাম তা দিয়েই চলত। মাসে একবার ভালো-মন্দ খেতাম আর প্রতি দুই সপ্তাহ পর সিনেমা হলে যেতাম। একেবারে খারাপ না। এরই মধ্যে একদিন একটা পত্র পেলাম। প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম। পুরো বাংলাদেশে আমাকে পত্র লেখার কেউ আছে বলে মনে পড়ছিলন …
প্রতি বিষ্যুদবার রাতে আমাদের মাথা গরম হয়ে যায়।
In পাগলামি on মার্চ 15, 2008 at 1:10 pm
বাংলাদেশে টাংগাইল চমচম- কুমিল্লা রসমালাই- বগুড়া দই এবং টঙ্গীর ‘আনার কলি’ সিনেমা হল নাইট শো’র জন্য বিখ্যাত। গত মাসের এক বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে আমাদের মাথা কিঞ্চিৎ গরম হয়ে গেল ( উল্লেখ্যঃ প্রতি বৃহস্পতিবার রাতেই আমাদের মাথাগুলো কিঞ্চিৎ উত্তপ্ত হয়)। মাথা বেশিক্ষণ গরম হয়ে থাকলে ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর আমাদের মত কয়েকটি ‘মাথা’র মৃত্যু হলে দেশের কি হবে? এটা ভেবে সিদ্ধান্ত নিলাম ‘আনার কলি’র নাইট শোতে যাব। তাতে মস্তিষ্ক যদি খানিকটা শীতল হয়। …
সচলায়তন এবং একুশ বছর বয়সের ছেলেগুলো।
In ব্লগর-ব্লগর on মার্চ 15, 2008 at 1:07 pm
বাংলাদেশে মনে হয় একমাত্র আই.ইউ.টি তেই টানা চার মাসের ছুটি পাওয়া যায়। (একমাত্র আই.ইউ.টি তে ‘মেয়ে’ জিনিসটা পড়ে না)। এবার অবশ্য ছুটি চার মাসের কিছুদিন কম ছিল।২০০৮ খ্রীষ্টাব্দের ২০ জানুয়ারি- তিন মাস ষোল দিনের ছুটি শেষে আই.ইউ.টি. তে আসলাম। চিটাগাং-এর জি.ই.সি.মোড়ের কথা মনে আসি আসি করছে। রায়হান(যাচাই করা হয়নি) নাটকীয় ভঙ্গিতে আমাকে বলল। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ২
In মেয়ে-কথন on মার্চ 15, 2008 at 1:04 pm
সিলেটে একবছর ছিলাম। আমার জীবনের নিকৃষ্টতম বছর। শুনেছি হাইস্কুল নাকি মানুষের জীবনের মেয়ে-ময় সময়। আর ক্লাস সিক্সে আমাকে পড়তে হয়েছিল মীরাবাজার বয়েজ হাই স্কুলে। আমাদের ক্লাসে সাতাত্তর জনের মধ্যে একটা মেয়েও ছিল না।
যে আমি ক্লাস ফাইভের অর্ধেকটা সময় কাটিয়েছি মেয়েদের মাঝখানে বসে ক্লাস করে- সে আমাকে ক্লাস সিক্সে একদল ছেলের মধ্যে বসে ক্লাস করতে …
লক্ষ-কোটি বৃষ্টির ফোঁটা। অথচ আমার শরীরে একটি সূতোও ছিল না…
In পাগলামি on মার্চ 15, 2008 at 12:57 pm
ক্লাস নাইনে একদিন ম্যাথ ক্লাসে হঠাৎ করে মনে হলো- আমি অনেক বড় হয়ে গেছি। কবিতা-টবিতা পড়া উচিত। সেদিন ক্লাস থেকে বাসায় এসে ছোট বোনকে তিন গোয়েন্দার সব ভলিউম দিয়ে ফেললাম। সে তো মহা খুশি। তার ”ছেলেমানুষী” দেখে আমার খুব হাসি পেল ( যদিও কয়েকদিন আগেই আব্বুর পকেট থেকে টাকা চুরি করে ‘ভলিউম-২৩’ কিনেছিলাম)। মুখে বেশ একটা গাম্ভীর্য এনে পিচ্চিটাকে বললাম …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ১
In মেয়ে-কথন on মার্চ 15, 2008 at 12:53 pm
ক্লাস ফাইভে আমাদের স্কুলে একটা অলিখিত নিয়ম ছিল। ক্লাসে কেউ দুষ্টুমি করলে তার শাস্তি হতো- মেয়েদের বেঞ্চে দুইটা মেয়ের মাঝখানে বসে থাকা। মেয়েরা তো কখনো দুষ্টুমি করেনা (!!??), তাই বলা যায় এই শাস্তিটা শুধু ছেলেদের জন্য প্রযোজ্য ছিল। দুষ্টুমি করে ধরা খেলে- সবাই ( আমি বাদে ) বেত খেতে রাজি ছিল, কিন্তু তবুও মেয়েদের পাশে বসবে না। …
প্রশ্নের উত্তর দিতে আমার ভালো লাগেনা
In আমার কবিতা on মার্চ 15, 2008 at 12:45 pm
প্রশ্নের উত্তর দিতে আমার ভালো লাগেনা।
কিন্তু মাঝে মধ্যে মনে হয়
এই পৃথিবীটা সাদা রঙের একটা উত্তরপত্র…
আর আমি প্রতিনিয়ত প্রশ্নের উত্তর ..সে ভুল
কিংবা শুদ্ধই হোক দিয়েই যাচ্ছি। …