bokashoka

Archive for মার্চ, 2008|Monthly archive page

মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ৫

In মেয়ে-কথন on মার্চ 27, 2008 at 3:02 অপরাহ্ন


ক্লাস টেনের পর থেকে এসএসসি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত প্রায় চার মাস আমার জীবন মেয়ে-শূণ্য হয়ে থাকল। টেস্ট পরীক্ষার পরপরই স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে… ক্লাসরুমে বসে বসে যে মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকব সে উপায়ও নেই।
আমার আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আম্মু বাসার ডিশ কানেকশন কাটিয়ে দিয়েছেন।

ইমনের ফুটবল

In গল্প on মার্চ 27, 2008 at 3:00 অপরাহ্ন


”my last salutations are to them…
who knew me imperfect and loved me…”

ঐ দলের গোলকীপার রাজা বেশ একটা ভাব নিয়ে গোল-বার… মানে দুই পাশে দুই স্যাণ্ডল রাখা সীমানার সামনে দাঁড়িয়েছে। আমি দুরু দুরু বুকে পেনাল্টি নিতে বলটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। পেনাল্টি কিক নিতে আমার সবসময়ই ভয় লাগে। তার ওপর আজ মাঠের বাইরে দিশা আর কয়েকটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যদি মিস্‌ করি তাহলে লজ্জায় মরে যাওয়া ছাড়া- উপায় থাকবে না। অন্য মেয়েগুলোকে নিয়ে আমার কোন মাথা-ব্যথা নেই। যত সমস্যা ঐ দিশাটাকে নিয়ে। ওর ওপর

গোধূলিদা এবং অতিপ্রাকৃত সাইকো রহস্য

In গল্প on মার্চ 27, 2008 at 2:58 অপরাহ্ন


[[ ''ধূসর গোধূলি'' নামের কপিরাইট ভঙ্গের জন্য লেখক প্রচণ্ড দুঃখিত ]]
- মহিব তো ভালোই শিখছস খেলা।
কথাটা বলে গোধুলিদা মুখের সিগারেট শেষ না করেই- আরেকটা ধরালেন। এটা তার পুরনো স্বভাব। তাই আমি অবাক না হয়ে দাবা বোর্ডের দিকে মনোযোগ দিলাম। গোধুলিদার মন্ত্রীকে চারপাশ থেকে বন্দী করে ফেলেছি… মনে জয়ের ক্ষীণ

ডাংগুলি ছেলে এবং আমসত্ত্ব মেয়ে- ২

In উপন্যাস on মার্চ 27, 2008 at 2:56 অপরাহ্ন


সেদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছি- দেখি আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তায় এশা দাঁড়িয়ে আছে। আমার মনটা ভালো হয়ে গেল। ইদানীং একটা ব্যাপার লক্ষ্য করছি- আমার মা’কে যেমন ভালো লাগে- এশাকেও ঠিক তেমনি ভালো লাগে। আমি হেসে বললাম…
- কেমন আছ?

নষ্ট- মেয়ে

In গল্প on মার্চ 25, 2008 at 2:46 অপরাহ্ন


একঃ

আমরা সবাই যার যার সীটে নড়ে-চড়ে বসলাম। পাশে সীটে বসা আবিদের দিকে তাকিয়ে দেখি- শালার মুখের বিভিন্ন অংশ সামনে চলে আসার প্রাণ-পণ চেষ্টা চালাচ্ছে। আমার নিজের অবস্থাও ব্যতিক্রম নয়। পেছন থেকে জামিল অশ্লীল একটা শব্দ করে বলল…

ডাংগুলি ছেলে এবং আমসত্ত্ব্ব মেয়ে —- ১

In উপন্যাস on মার্চ 18, 2008 at 8:19 অপরাহ্ন


ইস্কুল থেকে ফেরার পথে গাড়িটা দেখলাম। কী সুন্দর! আমরা গাড়ির পেছন পেছন দৌড়াতে লাগলাম। গাড়ির ভেতর থেকে… একটা মেয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে আর খুব হাসছে। আমার খুব লজ্জা লাগল… দৌড় থামিয়ে সালামকে বললাম।
- ঐ থাম। আর দৌড়াইস না।

উল্টা পাল্টা……….

In গল্প on মার্চ 18, 2008 at 8:16 অপরাহ্ন


আজ সকালে আম্মু আবার ফোন করল।
- বাবা। বিয়েটা কর্‌। লোকে বলাবলি করে- ”ছেলের বয়স একুশ হয়ে গেছে, এখনো বিয়ে করছে না।” লজ্জায় তো মানুষজনকে মুখ দেখাতে পারছি না। তোর আব্বু ঘর থেকে বের হওয়াই বন্ধ করে দিয়েছে।”
আব্বু-আম্মু গত দুই বছর ধরে ওই একই কথা বলে আসছে। -বিয়ে কর্‌। বিয়ে কর্‌।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.