এক ঘর পরেই ড্রয়িং রুম। ড্রয়িং রুমে কালো রঙের একটা টিভি আছে। উপল ইচ্ছে করলেই সোফার ওপর আধশোয়া হয়ে টিভি দেখতে পারে। হাতে রিমোট নিয়ে ইচ্ছেমত চ্যানেল বদলাতে পারে। দাদু কিচ্ছু বলবে না। কে জানে টিভিতে হয়ত খুব সুন্দর কোন কার্টুন হচ্ছে কিংবা ইএসপিএনে বিগ শো’এর রেসলিং হচ্ছে। …
Archive for 2008
ছোট্টদের গল্পঃ টিভি দেখ না।
In গল্প on মে 9, 2008 at 1:43 pmরিকশা এবং তার হুড।
In আমার কবিতা on মে 9, 2008 at 1:39 pm
নিউমার্কেট দুই নম্বর গেট… জনৈক কোন পথচারীর ঘামের গন্ধ নেমে নেমে আসতে চায়।
ঘামের গন্ধ পেছনে ফেলে অবশেষে আমরা রিকশায় উঠে যাই… আহা।
আমি আর জনৈক বালিকা। …
ভারোত্তোলন
In অণুগল্প on মে 9, 2008 at 1:36 pm
আহাদ চুরুটে একটা টান দিল। প্রত্যেকবার ভারোত্তোলন করার আগে সে একটা চুরুট ধরায়। অতিরিক্ত টেনশন এবং উত্তেজনাই চুরুট ধরানোর কারণ। মাঝে মধ্যে তার মনে হয়- অলিম্পিকে গেলে সে নির্ঘাৎ দেশের জন্য একটা স্বর্ণ জয় করে নিয়ে আসবে। …
তিন টাকা দিয়ে পৃথিবী পাওয়া আমার হবে না… আর কোনদিন।
In আমার কবিতা on মে 9, 2008 at 1:31 pm
এই ছেঁড়া কাঁথার আবরণ থেকে নিজের শরীরটা অন্য কোথাও নিয়ে যেতে আমার কষ্ট হয় খুব।
তবু- মাঝে মধ্যে যখন লোডশেডিং হয়- চাঁদের আলোর সর যখন- পুরাণ ঢাকা’র পুরনো রাস্তাগুলিকে ঢেকে দেয়- ছেঁড়া কাঁথার মতন।
আমি পুরনো একজন মানুষ- বড় হয়ে যাওয়ার যত যন্ত্রণা নিয়ে সেই রাস্তায় নিজেকে নিয়ে যাই। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ৭ (প্রায় শেষ পর্ব)
In মেয়ে-কথন on মে 9, 2008 at 1:27 pm
ফার্স্ট ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা স্বভাবিকভাবেই খারাপ হল। ছয় সাবজেক্টের মধ্যে দুই সাবজেক্টে ফেল করলাম আর এক সাবজেক্টে তেত্রিশ পেলাম। বাবা-মা আমাকে বংশের কুলাঙ্গার বলে ঘোষণা দিল আর কম্পিউটার বাসা থেকে বিদায় করা হবে বলে হুমকি দিল। এদিকে পরীক্ষায় খারাপ করা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র অনুভূতি হল না। মেয়েবিহীন জীবনযাপনের দুঃখে আমার সকল প্রকার অনুভূতি চাপা পড়ে গেছে। …
ফজলে আলী খান স্যার
In স্মৃতিচারণ on মে 9, 2008 at 1:16 pm
একঃ অপরাধ
ক্লাস এইট। ২০০০ সাল।
আমরা সবাই ক্লাসরুমে উত্তেজনা নিয়ে বসে আছি। উত্তেজনার কারণ এখন ফজলে আলী খান স্যারের কৃষি শিক্ষা ক্লাস। ক্যাডেট কলেজের একটা নিয়ম হচ্ছে- যে স্যারের ক্লাস হবে তাঁর নামের ইংরেজী আদ্যক্ষর ব্ল্যাক বোর্ডের একটা বিশেষ জায়গায় লিখে দিতে হয়। সে হিসেবে ফজলে আলী খান স্যারের নাম যা হওয়ার কথা আমরা …
আড়াল
In Uncategorized on মে 9, 2008 at 1:05 pm
ভদ্রলোক বারান্দায় আরাম কেদারাতে বসে খবরের কাগজ পড়ছিলেন। সকাল আটটার মত হবে। মেঘেদের আজ বুঝি ছুটি হয়েছে। কয়েক ফোঁটা রোদ্দুর এসে খবরের কাগজের অক্ষরের সাথে মিশে যাচ্ছে। এমন সময় একটা মেয়ে এসে বারান্দার সামনে দাঁড়াল। হাতে একটা কাগজ। ভদ্রলোক বিরক্ত হলেন। নীচ তলায় বাসা হওয়ায় এই এক সমস্যা। যখন তখন ভিক্ষুক-টিক্ষুক এসে হাত বাড়িয়ে দেয়। ভদ্রলোক বিরক্তি না চেপেই বললেন… …
আমার গার্লফ্রেণ্ড এবং একজন ছিনতাইকারী!
In গল্প on মে 9, 2008 at 1:03 pm
১.
সাজিয়া যখন খামে করে আমার হাতে টাকাটা তুলে দিল এবং মুখ বাঁকা করে বলল…
- গুনে দেখেন স্যার! টাকা ঠিক আছে নাকি?
আমি খুব লজ্জা পেলাম। এতদিন সাজিয়ার সাথে আমার কেবল শিক্ষক- ছাত্রীর সম্পর্ক ছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগে সেই সম্পর্কটা অন্যরূপ নিয়েছে। প্রত্যেকবার মাসের শেষে টাকা পেলেই আমি গুনে দেখি কিন্তু এখন তো আর সেটা করা যায় না। বরং আমি লজ্জা পাওয়ার ভান করে বললাম … …
জীবনের শেষ নববর্ষে আমি যা যা চাই…
In ব্লগর-ব্লগর on মে 9, 2008 at 1:00 pm
আরেকটা নতুন বছর চলে এল। এবং কিছুদিন পর আরেকটা নতুন বছর চলে যাবে। আমি যেমন আছি তেমনই থেকে যাব। অনেক আশা নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ক্রিকেট খেলা দেখতে বসে… মন খারাপ করে খেলার মাঝখানে টিভিরুম থেকে উঠে চলে আসব। সুতরাং আগামী এক বছরে অনেক কিছু ভালো ঘটে যাবে তেমন কোন আশা আমি করি না। তাই সব স্বপ্ন জমা করে রাখছি জীবনের শেষ নববর্ষটার জন্য। অবশ্য যদি এটাই আমার জীবনের শেষ নববর্ষ না হয়ে থাকে! …
নীল
In গল্প on মে 9, 2008 at 12:56 pm
লোকটা আমার দিকে ভাঙাচোরা একটা হাসি নিয়ে তাকাল।
আমি কিছুটা বিরক্ত হলাম। দুপুর একটা থেকে আড়াইটা- এই দুই ঘণ্টা- আমার একার। এই সময় আমি আমার অফিসের পাশে ছোট্ট রুমটায় কাটাই। রুমে একটা ডিভাইন খাটে- আধশোয়া হয়ে টিভির দিকে তাকিয়ে থাকি। সবাই জানে- অতিরিক্ত জরুরী কোন কাজেও এই সময় আমাকে বিরক্ত করা যাবে না। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ৬
In মেয়ে-কথন on মে 9, 2008 at 12:52 pm
কলেজ মানে নতুন জীবন।
আমার নতুন জীবন শুরু হলো। নতুন জীবনে সবকিছুই বোধহয় নতুন নতুন লাগে। মেয়েরা যেহেতু সবকিছুর মাঝে কিছু একটা- তাই কলেজে মেয়েদেরও নতুন লাগতে লাগল।
স্কুলে দেখে এসেছি… ছেলে আর মেয়ের মধ্যে কেমন একটা লুকোচুরি ব্যাপার থাকে। আর কলেজে গিয়ে দেখি এর বিপরীত দৃশ্য। ক্যাম্পাসের এখানে ওখানে ছেলে-মেয়ে একসাথে বসে থাকে… ছেলেটা কিছু একটা বলে আর মেয়েটা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খায়। আমার অবশ্য এরকম কিছু হয় না। …
বিদায়…আমার siemens cf62
In স্মৃতিচারণ on মে 9, 2008 at 12:49 pm
প্রায় শেষ দৃশ্যঃ
গাজীপুর টু ঢাকা। বলাকা পরিবহণ। আমি অত্যন্ত কৌশলে- আমার মোবাইল সেট টা প্যান্টের পকেট থেকে হালকা করে বের করে রেখেছি। উদ্দেশ্য একটাই। ভীড়ের মাঝে কোন দুষ্টু লোক সেটা হাত করে নিবে। কিন্তু শালার পৃথিবীটাই জানি কেমন কেমন। যা জোর করে দূরে ঠেলে দিতে চাই- সেটা কাছেই থেকে যায়। …
ডাংগুলি ছেলে এবং আমসত্ত্ব মেয়ে- ৪
In উপন্যাস on মে 9, 2008 at 12:44 pm
অনেক ছোটবেলায় নৌকায় উঠলে আমার ভয় ভয় লাগত। নৌকাটা কেমন দোলে! মনে হত- এই বুঝি আমাকে নদীতে ছুঁড়ে দেবে। মা’র বুকে মুখ লুকাতাম তখন। মা বাবাকে বলত…
- মনুর বাপ দেখছেন… আমাগো মনু ভয়ে কেমুন লাল হইয়া গ্যাসে!
আমি রাশু’র দিকে তাকালাম। এই কয়দিনে রাশুটা কেমন বড় হয়ে গেছে। কেমন বড় মানুষদের মতন তাকিয়ে আছে! ..>
ডাংগুলি ছেলে এবং আমসত্ত্ব মেয়ে- ৩
In উপন্যাস on এপ্রিল 1, 2008 at 3:38 pm
- মা…কাইন্দ না।
মাকে কথাটা বলেই আমি ঝরঝর করে কেঁদে ফেললাম। কোথায় যেন একটা কুকুরও কাঁদছে। বাবা’র কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আমার কেমন যেন লাগল! এশার কথা মনে পড়ল। এশা এখন কী করছে? আমার কেন জানি মনে হল… আমার যখন মন খারাপ হয়… আমি যখন রাতের বেলা চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে এমন করে কান্না করি…তখন এশা ঠিক বুঝতে পারে! আকাশের ওপরে যার ঘর… তিনি এশার কানে কানে আমার মন খারাপের কথা বলে দেন। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ৫
In মেয়ে-কথন on মার্চ 27, 2008 at 3:02 pm
ক্লাস টেনের পর থেকে এসএসসি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত প্রায় চার মাস আমার জীবন মেয়ে-শূণ্য হয়ে থাকল। টেস্ট পরীক্ষার পরপরই স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে… ক্লাসরুমে বসে বসে যে মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকব সে উপায়ও নেই।
আমার আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আম্মু বাসার ডিশ কানেকশন কাটিয়ে দিয়েছেন। …
ইমনের ফুটবল
In গল্প on মার্চ 27, 2008 at 3:00 pm
”my last salutations are to them…
who knew me imperfect and loved me…”
ঐ দলের গোলকীপার রাজা বেশ একটা ভাব নিয়ে গোল-বার… মানে দুই পাশে দুই স্যাণ্ডল রাখা সীমানার সামনে দাঁড়িয়েছে। আমি দুরু দুরু বুকে পেনাল্টি নিতে বলটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। পেনাল্টি কিক নিতে আমার সবসময়ই ভয় লাগে। তার ওপর আজ মাঠের বাইরে দিশা আর কয়েকটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যদি মিস্ করি তাহলে লজ্জায় মরে যাওয়া ছাড়া- উপায় থাকবে না। অন্য মেয়েগুলোকে নিয়ে আমার কোন মাথা-ব্যথা নেই। যত সমস্যা ঐ দিশাটাকে নিয়ে। ওর ওপর …
গোধূলিদা এবং অতিপ্রাকৃত সাইকো রহস্য
In গল্প on মার্চ 27, 2008 at 2:58 pm
[[ ''ধূসর গোধূলি'' নামের কপিরাইট ভঙ্গের জন্য লেখক প্রচণ্ড দুঃখিত ]]
- মহিব তো ভালোই শিখছস খেলা।
কথাটা বলে গোধুলিদা মুখের সিগারেট শেষ না করেই- আরেকটা ধরালেন। এটা তার পুরনো স্বভাব। তাই আমি অবাক না হয়ে দাবা বোর্ডের দিকে মনোযোগ দিলাম। গোধুলিদার মন্ত্রীকে চারপাশ থেকে বন্দী করে ফেলেছি… মনে জয়ের ক্ষীণ …
ডাংগুলি ছেলে এবং আমসত্ত্ব মেয়ে- ২
In উপন্যাস on মার্চ 27, 2008 at 2:56 pm
সেদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছি- দেখি আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তায় এশা দাঁড়িয়ে আছে। আমার মনটা ভালো হয়ে গেল। ইদানীং একটা ব্যাপার লক্ষ্য করছি- আমার মা’কে যেমন ভালো লাগে- এশাকেও ঠিক তেমনি ভালো লাগে। আমি হেসে বললাম…
- কেমন আছ? …
নষ্ট- মেয়ে
In গল্প on মার্চ 25, 2008 at 2:46 pm
একঃ
আমরা সবাই যার যার সীটে নড়ে-চড়ে বসলাম। পাশে সীটে বসা আবিদের দিকে তাকিয়ে দেখি- শালার মুখের বিভিন্ন অংশ সামনে চলে আসার প্রাণ-পণ চেষ্টা চালাচ্ছে। আমার নিজের অবস্থাও ব্যতিক্রম নয়। পেছন থেকে জামিল অশ্লীল একটা শব্দ করে বলল… …
ডাংগুলি ছেলে এবং আমসত্ত্ব্ব মেয়ে —- ১
In উপন্যাস on মার্চ 18, 2008 at 8:19 pm
ইস্কুল থেকে ফেরার পথে গাড়িটা দেখলাম। কী সুন্দর! আমরা গাড়ির পেছন পেছন দৌড়াতে লাগলাম। গাড়ির ভেতর থেকে… একটা মেয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে আর খুব হাসছে। আমার খুব লজ্জা লাগল… দৌড় থামিয়ে সালামকে বললাম।
- ঐ থাম। আর দৌড়াইস না। …
উল্টা পাল্টা……….
In গল্প on মার্চ 18, 2008 at 8:16 pm
আজ সকালে আম্মু আবার ফোন করল।
- বাবা। বিয়েটা কর্। লোকে বলাবলি করে- ”ছেলের বয়স একুশ হয়ে গেছে, এখনো বিয়ে করছে না।” লজ্জায় তো মানুষজনকে মুখ দেখাতে পারছি না। তোর আব্বু ঘর থেকে বের হওয়াই বন্ধ করে দিয়েছে।”
আব্বু-আম্মু গত দুই বছর ধরে ওই একই কথা বলে আসছে। -বিয়ে কর্। বিয়ে কর্। …
দূর্গা পূজা
In স্মৃতিচারণ on মার্চ 15, 2008 at 4:18 pm
প্রারম্ভিকাঃ
প্রভাষক নিয়ামত উল্লাহ। বিষয়ঃ ইসলাম শিক্ষা। কিন্তু কেন জানি ক্যাডেটদের সকল প্রকার গোপন অনৈসলামিক কর্মকান্ড তার চোখেই ধরা পড়ে। একদিন মোরশেদ সেকেন্ড প্রেপে গভীর মনযোগের সাথে যায়যায়দিনের শাড়ী সংখ্যা পড়ছিল। আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে ভক্ষণ করছিল। শরীফ উদ্দিন স্যার – বিশিষ্ট গোয়েন্দা তোফাজ্জল হোসেন স্যার ফর্মে এসে ঘুরে গেলেন। কিন্তু মোরশেদ নির্বিকার। শেষ মুহুর্তে হাত গলিয়ে বের হয়ে যাওয়ার বিশেষ দক্ষত …
আমাদের পাণ্ডুলিপি – ২
In উপন্যাস on মার্চ 15, 2008 at 4:16 pm
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সাদা পোষাক পড়া একজন মানুষ এলেন আমাদের রুমে।
- কেমন আছ সবাই?
আমরা সবাই দাঁড়িয়ে গেলাম। হিমেলই প্রথমে কথা বলল।
- জ্বী স্যার। ভালো।
সাদা পোষাক পড়া মানুষটা হেসে দিল। …
আমাদের পাণ্ডুলিপি-১
In Uncategorized on মার্চ 15, 2008 at 4:12 pm
একঃ
- আমি মহিব। তুমি?
ছেলেটা ভেজা ভেজা চোখে আমার দিকে তাকাল। আমি কিছুটা অবাক হলাম। আরে ভাই, কাঁদার কী আছে? আর সাতদিন পরেই তো আমরা বাসায় যাব। বাবা- মা কে ছাড়া কী সাতটা দিন থাকা যায় না? আমি তো ক্লাস সিক্সেও হোস্টেলে থাকতাম। চিটাগাং রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। আমি ছেলেটার কাঁধে হাত রাখলাম। সাথে সাথে আমারও কান্না কান্না একটা ভাব হল। …
পরীক্ষা না থাকলে পৃথিবীটা অনেক সুন্দর হত!
In ব্লগর-ব্লগর on মার্চ 15, 2008 at 2:31 pm
জীবনে প্রথম পরীক্ষা দিয়েছিলাম- পাঁচ বছর বয়সে। শ্রেণীর নাম ভারী মজার। কোন সংখ্যা দিয়ে পরিচয় পাওয়া শ্রেণী না। প্লে-গ্রুপ। স্কুলের নাম ছিল শিশুকানন কিণ্ডার গার্টেন। আমার এখনো মনে আছে- জীবনের প্রথম পরীক্ষা ছোট্ট আমার মাঝে অন্যরকম আগ্রহের সৃষ্টি করেছিল। পরীক্ষা নিয়ে সেটাই আমার জীবনের প্রথম এবং শেষ আগ্রহ। আমার এখন শুধু একটা জিনিসই মনে হয়- পরীক্ষা না থাকলে এই গোল পৃথিবীটা অনেক বেশি আকর্ষণীয় হত। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ৪
In মেয়ে-কথন on মার্চ 15, 2008 at 2:29 pm
ক্লাস টেনে আমার নতুন বন্ধু হল। সাইকেল।
প্রথম প্রথম আমার সাইকেল ভ্রমন আমাদের আবাসিক এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল। বিকেলে সব ছেলেরা যখন ক্রিকেট খেলে আমি তখন সাইকেলে চড়ে- পুরো আবাসিক এলাকা চক্কর দিই- আর মেয়ে দেখতে থাকি। ছোট- বড়- মাঝারি সব টাইপের মেয়ে আমার দৃষ্টি সীমার মাঝে বিরাজ করতে থাকে।
এলাকার ফাহিম ভাই আমার চেয়ে দশ-ধাপ এগিয়ে। প্রত্যেক বিকেল বেলায় দেখা যায়- …
শুধুই মমতা’র গল্পঃ গর্ভধারিণীর যন্ত্রণা এবং ভালোবাসা
In গল্প on মার্চ 15, 2008 at 2:25 pm
মা, তোমাকে কতবার বললাম কম্পিউটারের ইউজটা শিখে ফেল। নেটে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভাইয়াদের সাথে কথা বলতে পারবে। ইচ্ছা করলে ওয়েবক্যাম দিয়ে ওদের দেখতে পারবে।
আমার কী এখন কম্পিউটার শেখার বয়স আছে? কিন্তু বাবুন সেটা কিছুতেই বুঝবে না। রোজ কম করে হলেও তিনবার আমাকে এই কথা শোনাবে।
বাবুনটা এমন পাগল! বাবুন আমার ছোট ছেলে। কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। …
আমাদের মুমিত
In স্মৃতিচারণ on মার্চ 15, 2008 at 2:21 pm
মুমিতের সঙ্গে মাঝে-মধ্যে আমার কৃত্রিম ঝগড়া হত। কৃত্রিম ঝগড়ার ক্ষেত্রে বিষয় তেমন একটা গুরুত্ব পায় না। তাই আমাদের বিষয় ছিল নওরীন নামের একটা মেয়ে। ক্যাডেট কলেজে- গেমস টাইমে কিংবা ডিনার থেকে একাডেমিক ব্লকে আসার সময় আমরা নওরীনকে নিয়ে আলোচনা করতাম। মুমিত তার বাচ্চা বাচ্চা হাসিটা নিয়ে আমাকে বলত- …
উচিত শিক্ষা……………
In গল্প on মার্চ 15, 2008 at 2:15 pm
[ সত্য ঘটনা অবলম্বনে। কিন্তু বিশেষ কারো নাম এবং চরিত্রের সাথে গল্পের বিশেষ কারো নাম এবং চরিত্র মিলে গেলে- ব্যাপারটা মোটেই কাকতালীয় হবে না এবং লেখক বিন্দুমাত্র দায়ী থাকবেন না]]
কর্মঃ
বর্তমানে আমার নাম ঊর্মি। ”বর্তমানে” বললাম এ কারণে- …
মা!
In আমার কবিতা on মার্চ 15, 2008 at 2:12 pm
আবার আমার ইচ্ছে করে
ছোট্ট হয়ে যেতে-
তোমার মুখে মুখটি ঘষে
ফুলের গন্ধ নিতে …
ওহে বেকুব! দেশীয় ঐতিহ্যানুযায়ী একটা বউয়ের জন্য তোকে আরো ২৯২০ রাত অপেক্ষা করতে হবে
In ব্লগর-ব্লগর on মার্চ 15, 2008 at 2:08 pm
বিয়ে!
কোন বাক্যে শব্দটা আসলে এগারো বারো বছরের কোন ছেলের মুখটা লজ্জায় নিশ্চয়ই লাল হয়ে যাবে। যেহেতু আমার বয়স এখন একুশ এবং যেহেতু এখন আমি অনেক বড় হয়ে গেছি- তাই বিয়ে শব্দটা- আমাকে লজ্জায় কাবু করতে পারে না বরং আমার মনে এবং শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ আলোড়ন সৃষ্টি করে। আমার মুখটা চকচক করে ওঠে। মস্তিষ্ক নানান রকম কল্পনা করতে শুরু করে। …
আদরের দাগ আবার আঁকলাম…
In স্মৃতিচারণ on মার্চ 15, 2008 at 2:04 pm
একঃ
- এখন থেকে আমরা ‘তুমি’ করে বলা প্রাকটিস করব।
তুই খুব সিরিয়াস ভঙ্গিতে কথাটা বলার চেষ্টা করলি। অথচ আমি তোর অদ্ভুত সুন্দর মুখটাতে আদর কিংবা মায়া ছাড়া কিছুই দেখলাম না। তাই হেসে বললাম।
- কেন? হঠাৎ।
- বিয়ের পর যদি জামাই বউকে তুই তুই করে বলে- লোকে কী বলবে বল্ তো? …
হিডেন ক্যামেরা
In গল্প on মার্চ 15, 2008 at 2:00 pm
[[গল্পটিতে হালকা-পাতলা 'ইঙ্গিত' রয়েছে। ''ইঙ্গিত' অপছন্দকারীদের না পড়ার জন্য অনুরোধ করা হল। আর পড়ার পর কারো যদি মেজাজ খারাপ হয় - লেখক দায়ী থাকবেন না। হে হে হে। (মেজাজ খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯.৯৯%)]]
শেষের আগেঃ
- মামা। চারটা ”সোনিয়া চা” দ্যান তো।
চা-ওয়ালা মামা সব দাঁত বের করে দিলেন। ”সোনিয়া চা” শব্দটা হাবিবের আবিষ্কার। এই নামকরণের পেছনে 04 ব্যাচের একটা মেয়ের সশরীর উপস্থিতি রয়েছে।
- দোস্ত। আমি এখন যে প্ল্যানটার কথা বলব সবাই সিরিয়াসলি শুনবি। …
বালক বিশ্ববিদ্যালয়ের ”বালিকা” দিবস।
In ব্লগর-ব্লগর on মার্চ 15, 2008 at 1:56 pm
আইইউটি বাংলাদেশের (খুব সম্ভবত পৃথিবীরও) একমাত্র মেয়েহীন ইউনিভার্সিটি। এটা পুরনো কথা। আমি এবং সচলায়তনে আইইউটি’র যারা আছে তাদের মাধ্যমে এই তথ্য বহুবার প্রচারিত হয়েছে।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হল- আইইউটি ক্যাম্পাসে মেয়ে অথবা মেয়েজাতীয় কোন বস্তু প্রবেশ করতে পারে না। সব নিয়মের কিছু ফাঁক-ফোকড় থাকে। এই ফাঁক-ফোকড় দিয়ে যদি কোন মেয়ে আইইউটি’তে ঢুকে পড়ে- তখন এক নাটকীয় দৃশ্য দেখা যায়। …
‘নুড়ি’ নামের নিষ্পাপ এক শিশু’র সাথে আমি প্রতারণা করেছিলাম…
In স্মৃতিচারণ on মার্চ 15, 2008 at 1:54 pm
[[ আমার একটা ধারণা ছিল - গল্প-কবিতা লেখা কঠিন। কিন্তু নিজের জীবনের সত্যি ঘটনা লিখতে গিয়ে দেখলাম- বাস্তবতাকে শব্দে ধারণ করা অনেক বেশি কষ্টের- অনেক অনেক বেশি যন্ত্রণার]]
বাংলাদেশের প্রায় মানুষই প্রায় ছুটি-ছাটায় কক্সবাজার যেতে পছন্দ করে। আমরাও বাংলাদেশের মানুষ। তাই- সেকেন্ড সেমিস্টার ফাইনাল শেষে- দুই দল হয়ে বীচে ফুটবল খেলা যাবে এমন সংখ্যক- অর্থাৎ বাইশজন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। বোর্ডবাজার থেকে বাসে বিমানবন্দর রেলস্টেশন। রাত সাড়ে এগারোটায় ট্রেন। আমরা যেখানে যাই ‘আনন্দ’ সেখানে যায়। …
প্রতি বিষ্যুদবার রাতে আমাদের মাথা গরম হয়ে যায়-২
In পাগলামি on মার্চ 15, 2008 at 1:48 pm
বৃহস্পতিবার।
রাতটাই জানি কেমন! বৃহস্পতি-র রাত এলেই আমাদের মাথা আর ঠিক থাকে না। এমনই এক বিষ্যুদবার রাতে আমাদের মাথা আবার গরম হল।
রুমে মুভি দেখছিলাম ”American pie-6”। তখনই মাথাটা একটু আধটু গরম হওয়া শুরু করেছে। রাব্বানী গরম মাথায় আগুন ঢালল।
- দোস্ত। আজকে গাছে উঠলে কেমন হয়? ( বুদ্ধিমান পাঠকেরা নিশ্চয়ই গাছে ওঠার মর্মার্থ ধরে ফেলেছেন।) …
প্রবাসীদের জন্য
In সংগৃহীত on মার্চ 15, 2008 at 1:44 pm
ঢাকার আজিজ সুপার মার্কেটে কয়েকটা টি-শার্ট ডিজাইন এবং বিক্রী-র স্টল আছে। নামগুলোও বেশ সুন্দর। ”স্বপ্নবাজ” ”পঙ্ক্তি” ”তারা” কাকতাড়ুয়া”। কয়েকদিন আগে আজিজ সুপার মার্কেটে গিয়েছিলাম ”প্যাপিরাস” থেকে কিছু বই কিনব। বই কেনার পর টি-শার্টের স্টল ঘুরে দেখছি। ”কাকতাড়ুয়া”র একটা টি-শার্টে আমার চোখদুটি আটকে গেল। টি-শার্টের সামনের অংশে একটা কবিতা লেখা। কবি এবং কবিতা এমনিতে আমাকে তেমন একটা টানে না ( সুনীল- শক্তি-তারাপদ বাদে )। কিন্তু এই কবিতাটা আমার মাথা খারাপ করে দিল। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি-৩
In মেয়ে-কথন on মার্চ 15, 2008 at 1:41 pm
ক্লাস এইটে মেয়েদের সম্পর্কে আমার চিন্তাভাবনা অনেক পাল্টে গেল। আগে একটা মেয়েকে মনে হত সুন্দর- শুধুই সুন্দর। একটা সুন্দর মেয়ের মুখটা খুব মিষ্টি মনে হত- কন্ঠ গানের চেয়েও মধুর লাগত। ক্লাসে এইটে ওঠার পর বুঝতে পারলাম- একটা মেয়েকে আরো অনেকভাবে দেখা যায়। স্বাভাবিক ভাবেই- আগে যেখানে শুধু মুখ দেখার চেষ্টা করতাম, সেখানে অবাধ্য চোখদুটো মুখ ছাড়াও আরো অনেক কিছু দেখার চেষ্টা করতে লাগল। –…>
প্রিন্সেস! ঘুমিয়ে পড়েছিস?
In Uncategorized on মার্চ 15, 2008 at 1:17 pm
- আব্বু। স্কুলের টিচাররা আমাকে বকা দিবে?
আমি কোটি কোটি মায়া নিয়ে পাগলটার দিকে তাকালাম। এমনিতে আমার মুখ-খানা কুৎসিত। শুধু সাবা’র দিকে যখন তাকাই- অজস্র মমতা আমার চোখদুটিতে ভর করে। আমার মনে হয়, এই পৃথিবীতে- চোখে এমন মমতা নিয়ে কেউ কারো দিকে তাকায় না। কিংবা তাকাতে পারে না। সাবা আমার মেয়ে। আগামী সপ্তাহ থেকে সে স্কুলে যাবে। এ নিয়ে রাজকন্যা’র চিন্তার শেষ নেই। আমি অফিস থেকে ফেরার পর থেকেই কোলের ওপর বসে আছে। …
সাইকো
In অনুবাদ on মার্চ 15, 2008 at 1:14 pm
আশির গোড়ার দিকের কথা। আমার মত একা মানুষ সারা বাংলাদেশে ছিল না। একটা বাড়ির সিঁড়িঘরে ত্রিশ টাকা ভাড়া দিয়ে থাকতাম। একটা সামান্য কোম্পানিতে টাইপিস্টের কাজ করতাম। তিন বছর আগেই বাবা-মাকে হারিয়েছিলাম। ভাই বোন ছিল না। তেমন একটা বন্ধু বান্ধবও না। যা বেতন পেতাম তা দিয়েই চলত। মাসে একবার ভালো-মন্দ খেতাম আর প্রতি দুই সপ্তাহ পর সিনেমা হলে যেতাম। একেবারে খারাপ না। এরই মধ্যে একদিন একটা পত্র পেলাম। প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম। পুরো বাংলাদেশে আমাকে পত্র লেখার কেউ আছে বলে মনে পড়ছিলন …
প্রতি বিষ্যুদবার রাতে আমাদের মাথা গরম হয়ে যায়।
In পাগলামি on মার্চ 15, 2008 at 1:10 pm
বাংলাদেশে টাংগাইল চমচম- কুমিল্লা রসমালাই- বগুড়া দই এবং টঙ্গীর ‘আনার কলি’ সিনেমা হল নাইট শো’র জন্য বিখ্যাত। গত মাসের এক বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে আমাদের মাথা কিঞ্চিৎ গরম হয়ে গেল ( উল্লেখ্যঃ প্রতি বৃহস্পতিবার রাতেই আমাদের মাথাগুলো কিঞ্চিৎ উত্তপ্ত হয়)। মাথা বেশিক্ষণ গরম হয়ে থাকলে ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর আমাদের মত কয়েকটি ‘মাথা’র মৃত্যু হলে দেশের কি হবে? এটা ভেবে সিদ্ধান্ত নিলাম ‘আনার কলি’র নাইট শোতে যাব। তাতে মস্তিষ্ক যদি খানিকটা শীতল হয়। …
সচলায়তন এবং একুশ বছর বয়সের ছেলেগুলো।
In ব্লগর-ব্লগর on মার্চ 15, 2008 at 1:07 pm
বাংলাদেশে মনে হয় একমাত্র আই.ইউ.টি তেই টানা চার মাসের ছুটি পাওয়া যায়। (একমাত্র আই.ইউ.টি তে ‘মেয়ে’ জিনিসটা পড়ে না)। এবার অবশ্য ছুটি চার মাসের কিছুদিন কম ছিল।২০০৮ খ্রীষ্টাব্দের ২০ জানুয়ারি- তিন মাস ষোল দিনের ছুটি শেষে আই.ইউ.টি. তে আসলাম। চিটাগাং-এর জি.ই.সি.মোড়ের কথা মনে আসি আসি করছে। রায়হান(যাচাই করা হয়নি) নাটকীয় ভঙ্গিতে আমাকে বলল। …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ২
In মেয়ে-কথন on মার্চ 15, 2008 at 1:04 pm
সিলেটে একবছর ছিলাম। আমার জীবনের নিকৃষ্টতম বছর। শুনেছি হাইস্কুল নাকি মানুষের জীবনের মেয়ে-ময় সময়। আর ক্লাস সিক্সে আমাকে পড়তে হয়েছিল মীরাবাজার বয়েজ হাই স্কুলে। আমাদের ক্লাসে সাতাত্তর জনের মধ্যে একটা মেয়েও ছিল না।
যে আমি ক্লাস ফাইভের অর্ধেকটা সময় কাটিয়েছি মেয়েদের মাঝখানে বসে ক্লাস করে- সে আমাকে ক্লাস সিক্সে একদল ছেলের মধ্যে বসে ক্লাস করতে …
লক্ষ-কোটি বৃষ্টির ফোঁটা। অথচ আমার শরীরে একটি সূতোও ছিল না…
In পাগলামি on মার্চ 15, 2008 at 12:57 pm
ক্লাস নাইনে একদিন ম্যাথ ক্লাসে হঠাৎ করে মনে হলো- আমি অনেক বড় হয়ে গেছি। কবিতা-টবিতা পড়া উচিত। সেদিন ক্লাস থেকে বাসায় এসে ছোট বোনকে তিন গোয়েন্দার সব ভলিউম দিয়ে ফেললাম। সে তো মহা খুশি। তার ”ছেলেমানুষী” দেখে আমার খুব হাসি পেল ( যদিও কয়েকদিন আগেই আব্বুর পকেট থেকে টাকা চুরি করে ‘ভলিউম-২৩’ কিনেছিলাম)। মুখে বেশ একটা গাম্ভীর্য এনে পিচ্চিটাকে বললাম …
মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি- ১
In মেয়ে-কথন on মার্চ 15, 2008 at 12:53 pm
ক্লাস ফাইভে আমাদের স্কুলে একটা অলিখিত নিয়ম ছিল। ক্লাসে কেউ দুষ্টুমি করলে তার শাস্তি হতো- মেয়েদের বেঞ্চে দুইটা মেয়ের মাঝখানে বসে থাকা। মেয়েরা তো কখনো দুষ্টুমি করেনা (!!??), তাই বলা যায় এই শাস্তিটা শুধু ছেলেদের জন্য প্রযোজ্য ছিল। দুষ্টুমি করে ধরা খেলে- সবাই ( আমি বাদে ) বেত খেতে রাজি ছিল, কিন্তু তবুও মেয়েদের পাশে বসবে না। …
প্রশ্নের উত্তর দিতে আমার ভালো লাগেনা
In আমার কবিতা on মার্চ 15, 2008 at 12:45 pm
প্রশ্নের উত্তর দিতে আমার ভালো লাগেনা।
কিন্তু মাঝে মধ্যে মনে হয়
এই পৃথিবীটা সাদা রঙের একটা উত্তরপত্র…
আর আমি প্রতিনিয়ত প্রশ্নের উত্তর ..সে ভুল
কিংবা শুদ্ধই হোক দিয়েই যাচ্ছি। …
আসাদের শার্ট
In শামসুর রাহমান on মার্চ 1, 2008 at 10:39 am
গুচ্ছ গুচ্ছ রক্তকরবীর মতো কিংবা সূর্যাস্তের
জ্বলন্ত মেঘের মতো আসাদের শার্ট
উড়ছে হাওয়ায় নীলিমায়। –…>
আঙুলের রক্ত
In সুনীল on ফেব্রুয়ারি 28, 2008 at 10:27 am
ঘর শব্দটি কবিতার মধ্যে এলে আমি তার দরজা দেখতে পাই না
অথচ দরজা শব্দটির একদিকে ঘর, আর একদিকে বারান্দা
বারান্দার পাশেই নিম গাছ
আমার শৈশবের নিম গাছের স্মৃতির ওপর বসে আছে একটা ইস্টিকুটুম পাখি –….>
আমার বন্ধু নিরঞ্জন
In ভাস্কর চৌধুরি on ফেব্রুয়ারি 28, 2008 at 9:51 am
অনেক কথা বলবার আছে আমার
তবে সবার আগে নিরঞ্জনের কথা বলতে হবে আমাকে ৷
নিরঞ্জন আমার বন্ধুর নাম
আর কোন নাম ছিল কি তার ?
আমি জানতাম না ৷ –…>